কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় অগ্নিকান্ডে নিহত হওয়া ইয়াসমিন আক্তার(২১) কে পরিকল্পিত হত্যা কান্ডের অভিযোগ তুলেছেন ইয়াসমিন আক্তারের পরিবার।
নিউজ ডেস্কঃ ইয়াসমিন আক্তার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের ডেউয়াতলী গ্রামের আলতাফ মিয়ার প্রথম সংসারের রেজাউলের স্ত্রী। রেজাউল ভালোবেসে চাঁদপুর জেলাধীন মতলব উপজেলার উপাদী উত্তর ইউনিয়নের ডিঙ্গা ভাঙ্গা গ্রামের মুন্সীবাড়ীর মৃত মোঃ আক্তার মুন্সীর ছোট মেয়ে মোসাম্মাৎ ইয়াসমিন আক্তার (২১) কে বিবাহ করেন।
নিহত ইয়াসমিন আক্তারের ছোট ভাই রাকিব হাসান বলেন, “আমার বোনের জামাই রেজাউল বড় আপাকে ভালোবেসে বিবাহ করেন গত তিন বছর পূর্বে তাদের কয়েকজন আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে।বিয়ে করেই তিনি মালদ্বীপ চলে যান। ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি ছুটিতে দেশে এসে কাবিন করে আমার বোনকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। রেজাউলের আপন মা না থাকায় তাদের সংসারে সৎ মায়ের তত্বাবধানে প্রায় ঝগড়াঝাটি করত আমার বোনের সাথে। ঝগড়া করে অনেক সময় আমার বোনকে চাপ দিতেন টাকা পয়সা আনার জন্য, বিভিন্ন ভাবে মানসিক অত্যাচার সহ শারীরিক নির্যাতন করতেন। আমার বোনের মৃত্যুর দুইদিন পূর্বে প্রচুর মারধর করেছে আপাকে।আপা সেই ছবি আমাদের কে ইমুতে পাঠিয়ে ছিল। ১০ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ৯.০০ টায় আমাদের সাথে ফোনে কথা বলছিল সেই সময় তাদের বাড়ির পাশের মাহফিল থেকে চটপটি এনে আমার বোনকে খাওয়ানোর পর ফোনে আপা বলতেছে আমার শরির ভালো লাগছে না রে আমি এখন ঘুমাব এই বলে ফোন রেখে দেয়। ১১ মার্চ সকালবেলা দুলাভাই আমাদের কে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করে বলে, ঘরে আগুন লেগে ইয়াসমিন পুড়ে মারা গেছে”
১১ মার্চ ইয়াসমিন আক্তারের আত্মীয়স্বজনেরা রেজাউলের বাড়িতে এসে ইয়াসমিনের লাশ দেখে সন্দেহ করেন এবং পরবর্তীতে বরুড়া থানায় একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড দায়ের করার জন্য আসেন। ইয়াসমিন আক্তারের মামা মোস্তফা মিয়াজি বলেন, “বরুড়া থানায় এসে আমরা অভিযোগ পেশ করলে ওসি সাহেব আমাদের কে আশ্বস্ত করে বলেন, আপনারা নিশ্চিত থাকুন আমরা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পেয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত করবো।
No comments:
Post a Comment
Don't forget to like comment and share